70

একটা কাগজের নোট মাটিতে পড়ে গেলে মানুষ নত হইয়া উঠায়। কিন্তু তুমি পড়ে গিয়ে দেখো – কেউ উঠাতে আসবে না। এজন্যই বলি যে, যে যার স্বপ্ন পূরণ করো – মানুষের কথায় হাল ছেড়ে দিও না।

একরাশ মুগ্ধতায় জড়িয়ে রেখেছিলে যাকে – সেও তোমায় ভুলে গেলো সন্ধ্যা নামার আগে।

প্রতিটি চুপচাপ থাকা চেহারার পিছনে লুকিয়ে আছে বিপদজনক চিন্তা-ভাবনা!

অযত্নে অবহেলায় বেড়ে ওঠা গাছটিও যখন ফল দিতে শুরু করে তখন কিন্তু তার মালিকানার অভাব হয় না।

কষ্ট ও ক্ষতির পরে মানুষ বিনয়ী ও জ্ঞানী হয়।

যে নারী স্বামীর কথায় নিজের জীবন পরিচালিত করে, স্বামীর কথার গুরুত্ব দেয়, স্বামীর একটুও অবাধ্য হয় না সেই নারী দূর্বল নয় – সেই নারী হলো শ্রেষ্ঠ নারী।

কিছু কিছু স্ত্রী স্বামীকে এমনভাবে আঘাত দিয়ে কথা বলে মনে হয় স্বামী দুনিয়াতে না থাকলেই বোধ হয় ভালো হতো। কিন্তু তারা জানে না ছোট ছোট কথাগুলো স্বামীর মনে কতোটা কষ্ট দেয়।

মোমবাতির ভেতরের সুতা বললো, জ্বলছি আমি। কিন্তু কাঁদছো কেন তুমি? মোমবাতি বললো, যাকে মনের মাঝে জায়গা দিয়েছি সে যদি পুরে ছাই হয়ে যায় – অশ্রু কি আর ধরে রাখা যায়!

দেবর কখনো ভাই হতে পারে না। একটু চান্স দিলেই বুঝবেন! শালিকা কখনো বোন হতে পারে না। আড়ালে একা পেলেই বুঝবেন!

প্রেম করলেই স্বামী-স্ত্রী হওয়া যায় না। কেউ একজন পল্টি মারলেই বুঝবেন।

ধর্মের ভাই বোন, মা-বাবা বলতে কিছুই নেই। স্বার্থের পরীক্ষায় পড়লেই বুঝবেন।

কাজিন কখনো আপনার মায়ের সন্তান হতে পারে না। হাতে হাত রাখলেই বুঝবেন।

স্বামীর চেয়ে বয় ফ্রেন্ড, স্ত্রীর চেয়ে গার্ল ফ্রেন্ড কখনো উত্তম হতে পারে না। সংসার ভাঙলেই বুঝবেন।

দুনিয়াতে মা-বাবা’র মতো আপন কেউ হয় না। মা-বাবা’কে হারালেই তা বুঝবেন!

বাবার আহামরি টাকা ছিলো না! বিছানার বালিশটাও শক্ত ছিলো বলে মনে হয়। মাথার উপরে জং ধরা টিনের চাল। ঘরের খুটিগুলোও অতোটা মজবুত ছিলো না। অল্প বাতাসেই লাগতো ভয়। আত্মীয়-স্বজনদের ভালোবাসাও ছিলো বাবার সম্পদ-সম্পত্তির মতোই অল্প। এটা শুধু আমার নয় – হাজারো মধ্যবিত্তের গল্প।

আগাছার ভয়ে কৃষক চাষ করা ছেড়ে দেয়নি বরং আগাছাগুলোই ছেটে দিয়েছে। তাই বলছি, সম্পর্কের মাঝে ভুল বুঝাবুঝি হলে ভুলগুলো ছাড়ুন, সম্পর্ক নয়।

কিভাবে বুঝবেন আল্লাহ আপনার উপর নারাজ হয়েছেন? রব যখন কোন বান্দার উপর নারাজ হন তখন তিনি সেই বান্দার রিজিক বন্ধ করে দেন না।

রব বাতাসকে কখনো আদেশ দেন না যে, সেই বান্দার নিঃশ্বাসে যেন বাতাস না ঢোকে। সূর্যকে বলেন না, সেই বান্দাকে আলো না দিতে।

রব সেই বান্দার যাবতীয় সব প্রয়োজন পূরণ করেন। শুধু একটা জিনিস রব বান্দার ওপর থেকে তুলে নেন। আর তা হলো ‍সিজদাহ করার তাওফিক!

আমি স্বার্থের জন্য মিশি বা প্রয়োজন ফুরালে সরে আসি তা নয়। সবার সাথেই খোলামেলা মিশতে পারি। কিন্তু একবার কারোর সামনে এক আর পিছনে আরেক রূপ দেখতে পেলে তার সাথে আর আগের মতো মিশতে পারি না।

আমি খুব সিম্পল একজন মানুষ। কারো চোখে পড়ার মতো বা কারো মনে গেঁথে থাকার মতো কেউ না। তবুও আমি নিজেকে নিয়ে সন্তুষ্ট! কারন, আমি আমার মুগ্ধতায় বেঁচে রই। আমিটাকে না ভেবে আমি যেন এক অপূর্ণ রচনার বই।

পাতা ঝরার আগে পাতার রং বদলে যায়। আর মানুষ বদলানোর আগে কথা বলার ধরণ বদলে যায়।

ততোটাই পাথর হতে চাই – যতোটা পাথর হলে রব ছাড়া অন্য কারও কাছে নিজের দূর্বলতা প্রকাশ পাবে না।

মানুষকে খুশি রাখতে পারার মতো কঠিন কাজ পৃথিবীতে আর কিছুই নেই। কারন, মানুষের স্বার্থে সামান্য একটু আঘাত লাগলেই পূর্বের সব উপকারের কথা ভুলে যায়।

মিথ্যা হাসি দিয়ে ঢেকে রাখি ক্ষত – বাহিরটা রাজার মতো কিন্তু ভিতরটা আহত!

আমার জীবনের সেরা বাস্তব উপন্যাস আমি নিজেই। অভাব, অবহেলা আর কিছু ভুল আমাকে অনেক কিছু শিখিয়েছে।

মনে রেখ, বইয়ের অংক গড়মিল হলে ঠিক করা যায় কিন্তু জীবনের অংক গড়মিল হলে পুরো জীবনটাই নষ্ট হয়ে যায়।

সারাজীবন কুকুর থেকে সাবধানে থাকলাম – আর কামড় খেলাম মানুষের।

কি হবে এতো গল্প লিখে – যদি গল্পের মানুষটাই থাকে অন্যের পাশে!

তাকে সঙ্গী করো না – যে তোমার দোষ মনে রাখে আর গুণ ভুলে যায়।

জ্ঞানীর ভুল ধরিয়ে দিলে আপনি হবেন তার পরম বন্ধু আর অহংকারী ও মূর্খের ভুল ধরিয়ে দিলে আপনি হবেন তার চরম শত্রু।

ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন। এরকম আরও ভিডিও পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে নিন। সবসময় সুস্থ ও ‍সুন্দর থাকুন – এই কামনা রইলো। 

Comments