একজন মানুষ সবদিক থেকে কখনোই সুখী হয় না। যতো বড় সুখী মানুষই হোক না কেন খোঁজ নিয়ে দেখো তার অন্তরেও নিদারুন কষ্ট রয়েছে।
জীবনটা বড়ই অদ্ভুত। কারও ১০ বছর বয়সেই কাজে নেমে পড়তে হয় আবার
কেউ ৩৫ বছর পর্যন্ত শুধু পড়াশোনাই করে।
জীবনে কোন সময় কাকে প্রয়োজন পড়বে তা বলা মুশকিল। তাই কারও সাথে
সম্পর্ক নষ্ট করার চেয়ে আবছা আবছা হলেও সম্পর্ক রাখুন।
জীবনকে সহজ করার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো নীরব হয়ে যাওয়া। নীরবতা
কখনো কারও ক্ষতি করে না বরং মঙ্গল বয়ে আনে।
বিশ্বাস করুন আর না করুন- কোন কোন চোর, ডাকাত কিংবা বাটপার এর
জীবনী শুনলে আপনার চোখে পানি চলে আসবে।
ভাঙা গ্লাসেও পানি পান করা যায় যদি তা পরিষ্কার থাকে। তেমনি,
অভাবী মানুষের কাছেও শান্তি পাওয়া যায় যদি মন পবিত্র থাকে।
পৃথিবীর আর কোন কিছুকে নয়, কেবল সময়কে যদি গুরুত্ব দেন তবে সময়
আপনার জীবনটাকেই বদলে দেবে।
পুরুষ ঘরের বাইরে কখনো শান্তি খোঁজে না। পুরুষ শান্তি খোঁজে
ঘরের মধ্যে। ঘরনী যদি ভালো হয় পুরুষের জীবনটাই স্বার্থক হয়।
সুখ আর দুঃখ জীবনের এপিঠ আর ওপিঠ। যখন সুখে থাকেন তখন দুঃখের
জন্য প্রস্তুতি নিন। এটা ঠিক নিয়তির মতো।
জীবনে মায়া ত্যাগ করতে শিখুন তবে পরম মায়া নয়। মায়ের জন্য যে
ভালোবাসা, মায়ের জন্য যে পরম মায়া তা কখনো ত্যাগ করবেন না।
জীবনটা সত্যিই একটা পরীক্ষা মাত্র। একটা পরীক্ষা সারাজীবন ধরেই
হতে থাকে। এই পরীক্ষায় পূর্ণ স্বাধীনতা থাকে। ইচ্ছে করলেই এই পরীক্ষায় ভালো করা যায়
আবার ইচ্ছে করলেই খারাপ করা যায়।
লক্ষ কোটি টাকা আপনাকে সমাজে বড় বানাবে কিন্তু ভেতরে ভেতরে আপনি
হয়তো পুরে আঙ্গার হয়ে যাবেন। কারন, লক্ষ কোটি টাকা সৎ পথে ইনকাম করা খুবই কঠিন কাজ।
ঘৃণিত মানুষগুলোর পেছনের গল্পটা অনেক সময় খুব করুণার হতে পারে।
আমরা কথা দিয়ে কথা রাখি না। তাই তো জীবন থেকে অনেক কিছু হারিয়ে
ফেলি।
সম্মান, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা কখনো টাকা দিয়ে কেনা যায় না। এগুলো
হলো আপনার চরিত্রের ভালো দিকগুলোর বহিঃপ্রকাশ মাত্র যা অন্যদের কাছে আপনি পেয়ে থাকেন।
জীবন থেকে প্রতিনিয়ত সময় চলে যাচ্ছে। চলে যাওয়া সময় থেকে শিক্ষা
নিন। এই শিক্ষা ইহকাল ও পরকালে দু’কালেই কাজে লাগবে।
বিশ্বাস করুন আর নাই করুন- আপনি যা পাপ করেছেন তার কিছু পাপের
প্রায়শ্চিত্ত দুনিয়াতে আপনাকে করতেই হবে।
যে মানুষ তার আপন মায়ের কথা শোনে না, কথার গুরুত্ব দেয় না তার
কোন কিছুতেই উন্নতি হয় না।
অন্ধকারে হাঁটতে যেমন লাইটের আলো প্রয়োজন তেমনি জীবনে উন্নতি
করতে হলে, ভালো মানুষ হতে হলে অবশ্যই শিক্ষার সাথে সাথে বিবেকের প্রয়োজন।
অর্থনৈতিক হিসাবগুলো আমরা যতোটা সুক্ষ্মভাবে করি, আমাদের প্রতিদিনকার
কর্মকান্ডগুলোর প্রতি এতোটা সুক্ষ্ম নজর দিলে জীবনে কোন সমস্যা থাকবে না।
হাজার বছর বাঁচতে চাওয়া মানুষটাই সামান্য আঘাতে আত্মহত্যা করতে
চায় – মানুষ বড়ই আজব প্রাণী।
সৎ পথে চলে যে তার বিপদ সবসময়ই বেশি। সৎ পথে থেকে জীবন অতিবাহিত
করা খুবই কঠিন। তবে সৎ ব্যক্তিকে কেউ কোনদিন ধ্বংস করতে পারে না।
পৃথিবী উন্নত হচ্ছে, চারপাশে শুধু বিল্ডিং বাড়ছে। প্রযুক্তি
উন্নত হচ্ছে। উন্নত হচ্ছে না শুধু মানুষ। হানাহানি, মারামারি, কাটাকাটি বেড়েই চলেছে।
আর এই জন্যই কিয়ামত সন্নিকটে।
সংবাদ এর হেডলাইন পড়েই মন্তব্য করবেন না। সংবাদ এর ভেতরের কথাগুলো
আপনার নিজেকেও পাল্টে দিতে পারে।
কথার রসে সবাই ভেজাতে পারে। সেই রসে ভিজে আমরা কিছুটা আনন্দ
পাই কিন্তু বড় কথা কি জানেন, সেই রস আমাদের কোনো কাজে লাগে না।
ঠান্ডা মাথায় মানুষের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করা যায়। কিন্তু বেশিরভাগ
মানুষই সামান্য কারনে তাদের মাথা গরম করে ফেলে। তাদের নিজেদের ক্ষতি তারা নিজেরাই ডেকে
আনে।
ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন। নতুন নতুন ভিডিও পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে রাখুন। সবসময় সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।
Comments
Post a Comment