আগুনকে যে ভয় পায়, সে আগুনকে ব্যবহার করতে পারে না।
বেশিরভাগ মানুষ তাদের লক্ষ্য পূরণ
করতে পারে না। কারন, তারা লক্ষ্য নিয়ে ঠিকমত পরিকল্পনা করে না এবং নিজের ক্ষমতার ওপর
পুরোপুরি বিশ্বাস করে না। বিজয়ীরা জানে তারা ঠিক কোথায় পৌঁছাতে চায় এবং কিভাবে পৌঁছাতে
চায়।
আমার অভিজ্ঞতা বলে শ্রেষ্ঠ মোটিভেশন
হল সত্যিকার ইচ্ছা। সত্যিকার ইচ্ছা থাকলে কোনও বাধাই মানুষকে থামাতে পারে না।
কখনও না পড়ে যাওয়ার মাঝে বীরত্ব
নেই। পড়ে গিয়ে আবার উঠে দাঁড়ানোর মাঝেই সত্যিকার বীরত্ব লুকিয়ে আছে।
জ্ঞান, দয়া-মায়া এবং সাহস – এই
তিনটি মানুষের সবচেয়ে বড় মানবিক গুণ।
যদি কোনও লক্ষ্য অর্জন করা অসম্ভব
মনে হয়, তবুও লক্ষ্য বদল করবে না। তার বদলে কৌশল বদলে ফেলো।
জীবন বাইসাইকেল চালানোর মত একটা
ব্যাপার। পড়ে যেতে না চাইলে তোমাকে সামনে চলতে হবে।
আগের অধ্যায় বার বার পড়তে থাকলে
পরের অধ্যায়ে এগিয়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই।
ভালো কিছু থেকে ব্যর্থ হওয়া মানে
জীবন ব্যর্থ নয়। হয়তো বা তুমি আরও ভালো কিছুর দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথে আছ।
যতক্ষণ না তুমি অতীতকে ভুলে যাচ্ছ,
যতক্ষণ না তুমি ক্ষমা করতে পারছ, যতক্ষণ না তুমি মেনে নিচ্ছ অতীত চলে গেছে – ততক্ষণ
তুমি নিজের এগিয়ে যাওয়ার ক্ষমতাকে কাজে লাগাচ্ছ না।
গতকালকের দিনটা যেন তোমার আজকের
দিনটার ক্ষতি করতে না পারে।
এক জায়গায় দাঁড়িয়ে জীবন পার করে
দেয়া মানে সৃষ্টিকর্তার দেয়া উপহারের প্রতি অবিচার করা।
বিশ্বাস মানে হল সামনে কিছু না
দেখেও সামনে এগিয়ে যাওয়া। সময়ে সবকিছুই পরিস্কার দেখা যাবে।
জীবন হোক কর্মময়, নিরন্তর ছুটে
চলা। চিরকাল বিশ্রাম নেয়ার জন্য তো কবর পড়েই আছে।
সত্য কথা বলে শয়তানকে অপমান করো।
সম্পন্ন করার আগে সবকিছুই অসম্ভব
মনে হয়।
সফল মানুষেরা কাজ করে যায়। তারা
ভুল করে, ভুল শোধরায় – কিন্তু কখনও হাল ছাড়ে না।
নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখো। নিজের
যোগ্যতার ওপর ভরসা রাখো। নিজের শক্তির ওপর বিনয়ী কিন্তু যথেষ্ঠ আস্থা ছাড়া তুমি সফল
বা সুখী হতে পারবে না।
যদি স্বপ্ন দেখতে পারো, তবে তা
বাস্তবায়নও করতে পারবে।
মানুষ পরাজয়ের জন্য সৃষ্টি
হয়নি। তাকে হয়তো ধ্বংস করা যায়, কিন্তু হারানো যায় না।
চলুন আজকের দিনটাকে আমরা উৎসর্গ
করি, যাতে আমাদের সন্তানরা কালকের দিনটাকে উপভোগ করতে পারে।
ভালো মানুষ খুব ধীরে ‘না’ বলে।
বুদ্ধিমান মানুষ চট করে ‘না’ বলতে পারে।
যে তার পিতামাতাকে সম্মান করে,
তার মৃত্যু নেই।
সুখে থাকাই জীবনের চরম সার্থকতা
নয় বরং কাউকে সুখে রাখতে পারাটাই হলো জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা।
আমি ব্যর্থতা কে মেনে নিতে পারি
কিন্তু আমি চেষ্টা না করাকে মেনে নিতে পারিনা।
জ্ঞানী লোক কখনও সুখের সন্ধান
করে না।
অসহায়কে কখনও অবজ্ঞা করা উচিত
নয়, কারণ মানুষ মাত্রই জীবনের কোন না কোন সময় অসহায়ত্বের স্বীকার হবে।
যথাস্থানে পা রেখেছ কিনা তা আগে
নিশ্চিত হও, এরপর দৃঢ়ভাবে দাঁড়াও।
এই পৃথিবীতে কম বোঝা এবং বেশি
কাজ করা ভালো।
যারা অপেক্ষা করে তারাই পায়, আর
তারাই হারায় যারা তাড়াহুড়া করে।
অনুকরণ করে কোনো মানুষ কখনোই বড়
হতে পারে না।
আমাকে আমার সফলতা দ্বারা বিচার
করো না। ব্যর্থতা থেকে কতবার আমি ঘুরে দাঁড়িয়েছি তা দিয়ে আমাকে বিচার করো।
কয়েক টন ব্যক্তিত্বের থেকে এক
আউন্স ধৈর্য অনেক দামি।
দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বে ব্যর্থ
হওয়ার একটি মাত্র উপায় আছে আর তা হল ঝুঁকি না নেয়া।
জীবনে অনেক উপরে উঠতে হলে
২৫ বছর থেকেই শুরু করুন। নিজে পরিকল্পনা করুন, তাই করুন যা আপনি উপভোগ করতে জানেন।
যদি আমার কাছে একটি গাছ কাটার
জন্য ৮ ঘন্টা সময় থাকে, তাহলে আমি কুড়াল ধার করার জন্য ৭ঘন্টা ব্যয় করব।
স্বপ্ন সেটা নয় যেটা মানুষ ঘুমিয়ে
ঘুমিয়ে দেখে স্বপ্ন সেটাই যেটা পূরণের প্রত্যাশা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না।
ব্যর্থ হওয়ার নানা উপায় আছে, কিন্তু
সফল হওয়ার উপায় একটাই।
জীবনকে যদি তুমি ভালোবাস তাহলে
সময়ের অপচয় করো না। কেননা জীবনটা সময়ের সমষ্টি দ্বারা সৃষ্টি।
কর্মহীন জীবন হতাশার কাফনে জড়ানো
একটি জীবন্ত লাশ।
ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট
ও শেয়ার করুন। এরকম আরও ভিডিও পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে নিন। সবসময় সুস্থ ও সুন্দর
থাকুন – এই কামনা রইলো।
Comments
Post a Comment