65

আমি হাসতে ভালোবাসি। কারন, হাসিটাই তো দুঃখ লুকানোর একমাত্র অস্ত্র।

চোখের সামনে নিজের আস্ত একটা জীবন (নিজের জীবন) ধীরে ধীরে তলিয়ে যেতে দেখতে পারাটা বড্ড বেশি ভয়ংকর।

আমার মনে হয়, স্বামী যেমনই হোক না কেন, তার সাথে মানিয়ে চললেই জীবনটা সুন্দর হবে, হোক না তাতে নিজের পরাজয়। কারন, আমি দেখেছি – স্বামীর পাসপোর্ট না থাকলে একটা মেয়ের জীবন জাহান্নামের মতো।

কথা দিয়ে মানুষকে মেরে ফেলা যায় আবার মরতে যাওয়া মানুষকে বাঁচানোও যায়।

নিজে এতোগুলো টায়ার বহন করেও বিপদের সময় একটি টায়ারও কাজে আসছে না। ঠিক তেমনি, জীবনে চলার পথে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সবাই থাকবে কিন্তু বিপদের সময় কাউকে পাওয়া যাবে না – এটাই হলো বাস্তবতা।

মুসলমানের আবার কিসের হতাশা! যেখানে হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) বলেছেন – মুসলমানের যেকোন ক্লান্তি, অসুখ, চিন্তা-ভাবনা এমনকি তার পায়ে যদি কাঁটাও লাগে তবে আল্লাহতায়ালা এগুলোর মাধ্যমেও তার গোনাসমূহ ক্ষমা করে দেন।

ঈশ্বর যদি সব মানুষের প্রার্থনা শুনতো তবে দেখতে দেখতেই সব মানুষ বিলুপ্ত হয়ে যেত। কারন, তারা একে অপরের অমঙ্গলই চেয়ে চলেছে।

ছেলেদের মধ্যে বন্ধুত্ব নষ্টের অন্যতম দুটি কারন হলো – টাকা এবং মেয়ে। সবসময় এই দুটি জিনিস বন্ধুত্ব থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করুন।

দেহ হচ্ছে সেরা ঔষধ কারখানা। যখন যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকু ঔষধই তৈরী করে। আর এই ঔষধ পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া থেকে পুরোপুরি মুক্তি।

কাজ শুরু করাই হলো সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।

সফল হওয়ার চেষ্টা করার বদলে দক্ষ হওয়ার চেষ্টা করো। সাফল্য এমনিই আসবে।

যেখানে পরিশ্রম নেই সেখানে সাফল্যও নেই।

অন্যের সাফল্যের বদলে, অন্যের ভুল থেকে শেখার চেষ্টা করো। বেশিরভাগ মানুষ মোটামুটি একইরকম কারনে ব্যর্থ হয়। অন্যদিকে, সফল হওয়ার অনেক কারন থাকতে পারে।

রাতারাতি সাফল্য বলতে কিছু নেই। মনোযোগ দিলে দেখবে সব সাফল্যই অনেক সময় জীবনে আসে।

তুমি তোমার নিজের Journey-তে যোগ দাও। অন্যথায় লোকেরা তোমাকে তাদের Journey-তে অন্তর্ভু্ক্ত করবে।

সংশয় যেখানে থাকে সাফল্য সেখানে ধীর পদক্ষেপে আসে।

তোমার যা নেই তা অর্জন করাটাই সফলতা নয়। সফলতা হচ্ছে তোমার সবকিছু হারিয়ে ফেলার পরও হাল ছেড়ে না দেওয়া।

রাগান্বিত অবস্থায় কোন সিদ্ধান্ত নেবেন না। রাগান্বিত অবস্থায় সিদ্ধান্ত নিলে সেগুলো বেশিরভাগ সময়ই জীবনের জন্য চরম ক্ষতি হয়।

কখনো সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। পেছনের দিকে তাকালে দেখবেন – কাজ করে অনুতপ্ত হওয়ার চেয়ে যে সুযোগ আপনি হাতছাড়া করেছেন তা নিয়েই অনুতপ্ত হচ্ছেন বেশি।

কান পেতে থাকুন, সুযোগ অনেক সময়ই দরজায় খুব আস্তে করে টোকা দেয়।

হেসে কথা বলুন। এতে আপনি শুধু নিজেই আনন্দিত হবেন না, অন্যরাও খুশি হবে।

কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে সাথে সাথে প্রতিক্রিয়া ব্যক্তি করবেন না। একটু থামুন – লম্বা দম নিন। মনকে জিজ্ঞেস করুন এই মূহুর্তে আমার করণীয় কী?

প্রতিটি কাজ শুরু হয় শূন্য থেকে, ধাপে ধাপে তা পূর্ণতা পায়।

পাহাড়ের উপর দাঁড়িয়ে আকাশকে যতোটা কাছে মনে হয়, আকাশ কিন্তু ততোটা কাছে নয়। ঠিক তেমনি কোন মানুষকে যতোটা আপণ ভাবা নয় – আসলে সে ততোটা আপন নয়।

চিনি আর নুন দুটোই একই রকম দেখতে, কিন্তু পার্থক্য শুধু স্বাদে। তেমনি মানুষ আর অমানুষ দেখতে একই রকম, পার্থক্য শুধু আচরণে।

শোন, ঘুমন্ত অবস্থায় তৈরী হওয়া স্বপ্ন যদি ভেঙে যায় তাহলে তেমন কিছুই হয় না। কিন্তু মানুষ জেগে থেকে যে স্বপ্ন সাজায়, তা ভেঙে গেলে জীবনটাই নষ্ট হয়ে যায়।

ধৈর্য ধরো, শান্ত থাকো, কথা কম বল, পরিশ্রম করে যাও – সফলতা তোমার আসবে, জবাবটা সেদিন দিয়ে দাও।

কথা বলার জন্য যে শক্তি ও যোগ্যতার প্রয়োজন হয়, চুপ থাকার জন্যও তার থেকে বেশি শক্তি ও যোগ্যতার প্রয়োজন হয়।

তুমি জীবনে কত বার হেরেছ তাতে কিছুই যায় আসে না। কারন, তোমার একটি জেতা হলো সমস্ত হারের যোগ্য জবাব।

নিজেকে এতোটা দূর্বল হতে দিও না যে, তোমার কারও অনুগ্রহের প্রয়োজন হয়।

নিজের ইতিহাস লেখার জন্য কলম নয় – সাহসের প্রয়োজন।

জেতার আসল মজা তো তখনই – যখন সবাই তোমার হারের অপেক্ষায় থাকে।

মাঠে পরাজিত ব্যক্তি জিততে পারে কিন্তু মনের দিক থেকে পরাজিত ব্যক্তি কখনো জিততে পারে না।

ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করুন। এরকম আরও ভিডিও পেতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে নিন। সবসময় সুস্থ ও সুন্দর থাকুন – এই প্রত্যাশা রইলো। 

Comments